ছবিটি জুম করে দেখার পর, ফোনটাই ভেঙ্গে ফেলতে চাইবেন রাগে

শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলো দেখায়।খারাপ চিন্তা দূর করে উন্নত হতে শেখায়।দামী নামী স্কুলে ভর্তি করিয়ে উচ্চ শিক্ষিত করতে চান তার ছেলে মেয়েদের।শিক্ষার সঙ্গে জড়িত বিদ্যা আর এই বিদ্যার দেবী হলেন সরস্বতী।তাই শিক্ষা সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়বস্তুর স্থান আমাদের মাথায়।

কিন্তু একটি ছবি ইতিমধ্যে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে পড়েছে যা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন আমাদের দেশ তথাকথিত শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে জ্ঞানের কোনো স্থান নেই ।শিক্ষিত সমাজ কতটা নীচে নেমে যেতে পারে তার উদাহরণ এটি।আর ফোনের যুগে মানুষ এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ছে যে কী করছে সে বিষয়ে কোনো ভূক্ষ্রেপ নেই ।এমনি একটি ছবি দেখলে আপনার লজ্জা করবে এবং রাগ হবে।

“হাতে ফোন আর পড়ার বইয়ের ব্যাগ পায়ের তলে”
“আমাকে একটা শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি উপহার দেব”-কথাটা যে কতটা সত্যি তা মর্মে মর্মে অনুভব হচ্ছে সেটি।এর সত্যতা বহুদূর।বাজারে কিছু তথাকথিত শিক্ষিত মানুষ আছে যারা তাদের টাকার জোরে,প্রথাগত শিক্ষার জন্য ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করে থাকেন।অথচ শিক্ষা সম্পর্কে জ্ঞানটুকু তাদের মধ্যে থাকেনা থাকেনা মূল্যবোধ তাইতো আজ বিদ্যার স্থান পায়ে।বরং গ্রামের সাধারন মানুষের মূল্যবোধ বেশী তারা ইংরেজি জানেনা বা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত নন কিন্তু শিক্ষার মূল্য দিতে জানেন ।জানেন শিক্ষাকে সম্মান দিতে ।

ছবিটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে একটি মা তার ছেলেকে রিকশা করে স্কুল থেকে ফিরছেন।তার হাতে মোবাইল ফোন আর পড়ার ব্যাগটি তার পায়ের কাছে ছেলের স্কুল ব্যাগটি শুধু তাই নয় ফোনে তিনি এতটাই মগ্ন যে ব্যাগের ওপর তিনি যে পা দিয়ে আছেন সে সম্পর্কেও কোনো হুশ নেই ।এভাবেই কী আমাদের সভ্যতা বোকা বাক্সে আটকে গেছে?পরবর্তী প্রজন্মও বা কী শিখবে?
ছবিটি ইন্টারনেটে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হু হু করে ছড়িয়ে গেছে আর সমালোচনার ঝড় উঠেছে ।

Updated: December 17, 2018 — 7:25 am