কোনো বিষফোড়া বা ফোড়া , যা মাত্র ১টি পাতার পাতার রস এভাবে দিলেই সেরে যাবেই, জেনে রাখুন অবশ্যই

এরকম আরও মজাদার নিউজ পেতে আমাদের পেজটি স্ক্রল করে নীচে দেখুন অথবা আমাদের নতুন সংযোজন আরও পড়ুন অপশনটিতে ক্লিক করুন।

কথায় আছে স্বাস্থ্যই সম্পদ।আর এই স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে কেবল শরীরের সমস্যা দেখা যায় সেটা নয় সঙ্গে প্রতিদিনের জীবন ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে।কোনো ছোট ছোট রোগ কে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে তার একটি কারন ছোট জিনিস বলে গুরুত্ব দিনা পরে সেই ছোট জিনিস বড়ো আকার ধারন করে ।সেরকম একটা জিনিস বিষফোঁড়া ।বিষফোঁড়া আর সাধারন ফোড়ার মধ্যে তফাত আছে।ছোট লালচে বা গোলাপী হয়ে ফুলে থাকে ,প্রথমে দেখতে লাগে ব্রনর মতো।আর চারিপাশে লালের মাঝখানে ছোট সাদা হলদেটে পুজ জমে।তখন একে একসেস বলে।
-এর লক্ষন গুলি হল
কীকরে বুঝবেন বিষফোঁড়া হয়েছে ।দেখবেন ত্বকের নীচে বিষফোঁড়া হয়।চারপাশে ব্যাথা হয় সঙ্গে জায়গাটি গরম থাকে।আর সংস্পর্শে এর ব্যথা আরও বৃদ্ধি পায়।শুধু ওই টুকু জায়গা নয় যেখানে হয়েছে তার পুরো চারিপাশ ব্যাথা থাকে।
-কেন হয়?
কম করে প্রায় সকলেই এই অবস্থায় পড়েছেন।কিন্তু প্রশ্ন আসে কেন এই ধরনের ফোড়া হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে ক্ষতিগ্রস্থ গুটিকার জন্য হয়ে থাকে।এছাড়া সাধারন কারনগুলি হল-
1।অতিরিক্ত ঘাম যাদের হয় তাদের ঘাম গ্রন্থিতে সংক্রমন হলে
2।অপিরষ্কার থাকলে ।এই সূত্র ধরে বলি গ্রীষ্ম কালে কাজ থেকে ফিরে একটু স্নান করে নিলে ঘামের প্রকোপ কমবে।
3।পুষ্টি জাতীয় কোনো খাবার না খেলে পুষ্টির অভাব হলে।
4।ক্রনিক রোগের কারনেও বিষফোঁড়া দেখা দিতে পারে।
তবে যদি হয় তবে কীকরে এর ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাবেন জেনে নিন।উপকরন নিমপাতা।নিমপাতা এমনই এক জিনিস যার পাতা থেকে শুরু নিম ফল নিমের ছাল সবই নানা রোগের মহাষৌধি হিসেবে কাজ করে ।নিমের ভিতর থাকে অ্যন্টসেপটিক ও অ্যন্টিব্যকটেরিয়াল উপাদান ।দেহের বিষফোঁড়া কিংবা ফোসকা সারাতে দ্রূত কার্যকরী এটি।
বিষফোঁড়া লালচে বা গোলাপী থাকা অবস্থায় মাত্র ত্রিশ মিনিটে সমস্যা দূর করতে পারেন ,সেরে উঠবে বিষফোঁড়া ।দশ-বারোটি নিমপাতা নিয়ে ভালো করে পাতা গুলি ধুয়ে নিন।এরপর পেস্ট করে মিশ্রনের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো মেশান।এই পেস্টটির প্রলেপ আক্রান্ত স্থানে লাগান ।আধ ঘন্টা রাখুন এরপর জল দিয়ে ধুয়ে নিন।এরকম করে সারা দিনে তিনবার করুন।
প্রসঙ্গত ফোড়া হলে কয়েকটি নিমপাতা জলে ফুটিয়ে নিন।ঠান্ডা হলে জল ফোড়ার ওপর দিন।দিনে তিনবার আক্রান্ত স্থান এই জল দিয়ে পরিষ্কার করুন।দেখবেন ফল পাবেন ।

আরও পড়ুন- [মানুষের শরীরের কোন অঙ্গটি জন্মের পরে আসে আবার মৃত্যুর আগে চলে যায়, জানলে অবাক হবেন]

আরও পড়ুন- [২০ বছরের নীচে মেয়েকে বিয়ে করার কি সুবিধা জানেন? জানলে আজই বিয়ে করতে চাইবেন]

প্রাচীনকালে কিছু হলে আগে ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে রোগী সুস্থ করার চেষ্টা করা হত।আর এই ধারা এখনো কিছুটা অব্যহত আছে।কিছু ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা নেওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ের সাহায্য নেওয়া উচিত ।ঘরোয়া ওষুধের উপাদান গুলি শরীরের কোনো ক্ষতি করেনা ।কিন্তু অত্যাধিক পরিমানে খাওয়া অ্যালোপ্যাথি ওষুধে শরীরের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।তাই আগে ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করে দেখুন ।

আরও পড়ুন- [IAS পরীক্ষার প্রশ্ন, “মেয়েদের শরীরের কোন অংশটি সবসময় গরম থাকে”, জানলে চমকে যাবেন,]


সাবধানতা-
যদি দেখেন এক সপ্তাহ এরকম করার পরও কমছে না জ্বর আসছে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই তথ্যগুলি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন, আপনিও জানুন তাদেরকেও জানান, শেয়ার করুন।নীচের আর্টিকেল টা ক্লিক করুন ;পড়লে চোখ কপালে উঠবে।

Updated: November 21, 2018 — 1:42 pm