মেয়েরা জেনে নিন ছেলেদের কোথায় কোথায় হাত দিলে বেশী উত্তেজিত হয়!

১. চুল ও চুলের গোড়ার ত্বকঃ-প্রথমেই এই হেডিং পড়ে আমাকে সবাই পাগল ঠাউরাতে পারেন; বিশেষ করে ছেলেরা বলতে পারে, আরে ধুর! চুল আবার ছেলেদের সেক্সী পয়েন্ট হল কবে থেকে! কিন্ত হ্যা, ছেলেদের চুল ও এর গোড়ার ত্বক তাদের অন্যতম একটা স্পর্শকাতর (সেক্সী ) অংশ। তবে এর জন্য প্রয়োজন বিপরীত লিঙ্গের স্পর্শ।

২. কান- কান ছেলেদের একটি সেক্স ন। কান ও কানের আশেপাশের অংশগুলোতে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত। মেয়েরা তাদের তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ছেলেদের কানের মূল অংশ ও লতিতে আস্তে আস্তে বুলিয়ে দিতে পারে। ঠোট ও জিহবা দিয়ে কানের লতিতে, কানের পেছনের অংশে স্পর্শ করা, লতিতে হাল্কা করে কামড় দেয়া ছেলেদের জন্য বেশ Arousing. তাছাড়া মেয়েদের নিশ্বাসের শব্দ,

৩. ঠোট ও জিহবাঃ-শুধু মেয়েদের ঠোটই নয় ছেলেদের ঠোটও তাদের দেহের অত্যন্ত যৌনসংবেদী একটি অঙ্গ। এর সংবেদনশীলতা মেয়েদের ঠোটের মতই। একটি ছেলের ঠোটে একটি মেয়ের স্পর্শ শুধুই তাকে যৌনত্তেজিত করে তোলে না বরং মেয়েটির কাছাকাছি থাকার এক অপূর্ব অনুভুতি জাগিয়ে তোলে। ঠোটের মাধ্যমে মেয়েটি তার সঙ্গী তাকে যে ভালোবাসার অনুভুতি দান করছে ঠিক একইভাবে তার প্রতিদান দিতে পারে।

৪. গলাঃ- মেয়েদের মতই ছেলেদের গলাও অত্যন্ত স্পর্শকাতর । Sexual Reflexology বইটির লেখক Master Mantak Chia বলেছেন, ‘ছেলেদের গলার Adam’s Apple (ছেলেদের গলার ফোলা অংশটি) এর নিচের অংশটি দেহের বহু স্পর্শকাতর অরগানিজমের (অর্গাজম নয়, অর্গানিজম। যার অর্থ ইন্দ্রিয়) সাথে সম্পৃক্ত।’ তাই এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া ও চুষা ছেলেটির জন্য দারুন Turn on. বিশেষ করে তার ঠোটে চুমু খাওয়ার পর। জোরে জোরে ছেলেটির গলায় চুমু খাওয়া, কামড় দেয়া ও চুষা তার জন্য বেশ উত্তেজনাকর হতে পারে।

আরও পড়ুন-বাজারে এসেছে ‘উড়ন্ত পুরুষাঙ্গ’ মহিলারা বলছে এতেই যৌন সুখ বেশী

৫. বুক (Chest) ও নিপলসঃ-ছেলেদের বলিষ্ঠ ও পেশীবহুল বুক তাদের পুরুষত্বের প্রতীক। এটি বেশ স্পর্শকাতরও বটে। এই স্থানে মেয়েদের নরম হাতের স্পর্শ তাদের জন্য অসাধারন Turn On. এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলানো, কামড়ানো ছেলেদের দারুন এক অনুভুতি সৃষ্টি করে। প্রথমে হাল্কাভাবে শুরু করে তারপর একটু Roughly করার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক ছেলে এখানে মেয়েদের হাল্কা আদর আর অনেকে উগ্র আদর পছন্দ করে।

৬. হাটুঃ-ছেলেদের হাটু সেক্সের কামনা জাগিয়ে তোলায় ও মৈথুনের সময় সুখবৃদ্ধির জন্য বেশ কিছুটা ভুমিকা রাখে। কিভাবে ছেলে মেয়ে উভয়ের হাটুতে পা বুলিয়ে Footsie করে আনন্দ পেতে পারে তা তো আগের পোস্টেই বলেছি। এ বিষয়ে তাই আর বেশি কিছু বললাম না। যখন সেক্সে মৈথুনের সময় ছেলেটি শুয়ে থাকবে ও মেয়েটি তার উপরে উলটো দিকে মুখ করে বসে থেকে উপরনিচ করবে

আরও পড়ুন- প্রেমের বিয়ে, অতিরিক্ত যৌন নির্যাতনের কারণে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন করে খুন

৭. পিঠ ও কাধ (Shoulder):-অনেক ছেলে নিজেই জানে না তাদের পিঠ ও কাধ কতটা যৌনস্পর্শকাতর স্থান। পিঠের কোন কোন স্থানগুলো বেশি স্পর্শকাতর সেগুলো বিভিন্ন ছেলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন হয়। ছেলেটির সঙ্গিনী তার সেক্সের পূর্বে এমনকি ওরা ঘুমাতে শুয়েছে এমনসময়ও ওর পিঠে নিজের হাত বুলিয়ে বুলিয়ে সে স্থানগুলো আবিস্কার করতে পারে। ছেলেটি যদি কাজ থেকে ফিরে অত্যন্ত ক্লান্ত থাকে অথবা একবার সেক্স করার পর ক্লান্তিতে এলিয়ে পড়ে অথচ তার সঙ্গিনীর যৌন আকাঙ্খা অপুর্ন থাকে তবে মেয়েটি ওকে উজ্জীবিত করে তোলার জন্য একটি কাজ কর‌তে পারে।

৮. উরুঃ-মেয়েদের মতই ছেলেদের উরুও তাদের একটা বেশ স্পর্শকাতর স্থান, বিশেষ করে ভিতরের দিকের অংশটি। কিন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, ছেলেদের এই স্থানটা বেশিরভাগ মেয়েদের দ্বারাই অবহেলিত হয়। ওরা মূলত এর নিকটবর্তী আইফেল টাওয়ারের দিকেই বেশি মনোযোগী হয়। কিন্ত মেয়েটি যখন এই স্থানটিতে হাত বুলায়, চাপ দেয়, চুমু দেয়, কামড় দেয়, জিহবা দিয়ে আদর করে তখন ছেলেটি তার লিঙ্গে মেয়েটির এ আদর পাওয়ার জন্য পাগলের মত হয়ে যায়। কিন্ত ওর কথা না শুনে ওকে এভাবে tease করে তাকে উত্তেজনায় উম্মাদের মত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যায়।

আরও পড়ুন- আবারো জনপ্রিয় অভিনেত্রীর হস্ত’মৈথুনের ভিডিও ভাইরাল! দেখুন ভিডিও,রইলো ভিডিও

৯. নিতম্বঃ-মেয়েদের মত ছেলেদের নিতম্বও তাদের বেশ স্পর্শকাতর একটি স্থান। মুলত এখানে মেয়েদের হাতের জোর চাপ ও চাপর, নখের আচড় এগুলো ছেলেটিকে বেশ উত্তেজিত করে তুলে। বিশেষ করে কিস করার সময় ছেলেটিও যখন মেয়েটির নিতম্বে হাত বুলাতে থাকবে সেসময় ওর নিতম্বে এধরনের রুক্ষ আদর ছেলেটিকে বেশ উত্তেজিত করে।

১০. পেরিনিয়ামঃ-ছেলেদের অন্ডথলির নিচে ও পায়ুছিদ্রের মাঝের যেই ফাকা অংশটি রয়েছে সেটাই পেরিনিয়াম। ছেলেদের এই অঞ্চল মেয়েদেরটার চেয়ে একটু বড় হয়। এই অংশ মেয়েদের চেয়েও ছেলেদের বেশি সংবেদী, কারন এই অংশটির নিচেই রয়েছে প্রস্টেট গ্ল্যান্ড। লিঙ্গের হাত দেয়ার আগে এখানে হাত বুলানো ও চাপ দেয়া ছেলেটির জন্য দারুন Turn On.

আরও পড়ুন- পুরোনো এই পাঁচ টাকার নোটের বদলে আপনি পেতে পারেন কয়েক হাজার টাকা, কিন্তু কিভাবে? দেখুন

১১. লিঙ্গঃ-ছেলেদের সবচাইতে যৌনত্তেজক স্থান। বেশিরভাগ মেয়েই Foreplay’র সময় হাত দিয়ে ছেলেটির লিঙ্গ ধরে খেলতে পছন্দ করে এবং তাতে ছেলেরাও যথেস্ট আনন্দ পায়। কিন্ত সেখানে মেয়েটির নরম ঠোটের স্পর্শ, মুখের ভিতরের উষ্ঞতা ছেলেটির সারা দেহ দিয়ে যে চরম সুখের অনুভুতি বইয়ে দেয় তা শুধু ছেলেরাই বলতে পারবে। এই ব্যাপারটিতেই বেশিরভাগ মেয়েরই একেবার ঘোর অনিহা। লেখার শেষাংশে এই বিষয়ে ও কি করে হাত দিয়ে ও মুখ দিয়ে কিভাবে ছেলেটির লিঙ্গে আদর করা যায় তা নিয়ে বলছি।

ক) লিঙ্গের মাথাঃ ছেলেদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর স্থান। এটাকে মেয়েদের ক্লাইটোরিসের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। এটির মধ্যে রয়েছে অসংখ্য স্নায়ুপ্রান্ত যার কারনে এটি অত্যন্ত সংবেদী। লিঙ্গের মূল অংশ থেকে এই মাথাটিকে আলাদা করেছে যে অংশটি সেখান থেকে এর সংবেদনশীলতা বাড়তে বাড়তে একেবারে ছিদ্রটির আশে পাশে গিয়ে সর্বোচ্চ। মেয়েদের ক্লাইটোরিসের মতই এটিকে নিয়ে খেলা করতে যাওয়ার সময় মেয়েদের একটু সতর্ক হতে হবে। এই স্থানে অতিরিক্ত চাপ বা আচমকা আক্রমনে এমনকি ছেলেটির শক্ত হয়ে যাওয়া লিঙ্গও সাময়িকভাবে নেতিয়ে পড়া শুরু হতে পারে।

খ) ফ্রেনুলাম (Frenulam): লিঙ্গের পেছনের দিকে, যেখানে অন্ডকোষ থেকে লিঙ্গের মাথা পর্যন্ত একটি নালী অনুভব করা যায়, সেই নালী যে স্থানে শেষ, অর্থাৎ যেখানে লিঙ্গের মুল অংশটি এর মাথার সাথে সংযুক্ত সেই ছোট্ট স্থানটি অত্যন্ত সংবেদী। এখানে just আঙ্গুল দিয়ে ঘষলেও সেটা ছেলেটির জন্য দারুন উত্তেজনার।

গ) দন্ড (Shaft): ছেলেদের লিঙ্গের মূল অংশটি যে বেশ স্পর্শকাতর এটা আশা করি আর কাউকে বলে দিতে হবে না? এই অংশটি প্রায় সম্পুর্নই বিভিন্ন পেশী ও রক্ত নালীর সমন্বয়ে গঠিত। তাই এ অংশটি লিঙ্গের অন্যান্য স্থানের তুলনায় সবচেয়ে বেশী চাপ সহ্য করতে পারে। এখানে মেয়েটির হাতের মৃদু থেকে মধ্যম চাপ বেশ উত্তেজনাকর।

ঘ) লিঙ্গ ও দেহের সংযোগস্থলঃ ছেলেদের লিঙ্গটি যে স্থানে দেহের সাথে সংযুক্ত হয়েছে ঠিক সেই স্থানটি অর্থাৎ লিঙ্গের গোড়া ও অন্ডকোষের ঠিক উপরের অংশটি বেশ স্পর্শকাতর। তবে এ অংশটিতে আদর করে ছেলেটিকে পরিপুর্ন আনন্দ দিতে শুধু মেয়েটির হাতের স্পর্শ নয় তার….উম…উপপসস! তার জিহবার স্পর্শও প্রয়োজন!

১২. অন্ডথলিঃ-এটিও ছেলেদের এমন একটি স্পর্শকাতর স্থান যেটি অনেক মেয়েই এড়িয়ে যায়। এই থলিটির পর্দা ও মেয়েদের যোনির ল্যাবিয়া ম্যাজোরা একই Embryonic tissue দ্বারা গঠিত। এই স্থানে মেয়েটির হাতের স্পর্শ দারুন এক Turn On হতে পারে ছেলেটির জন্য। কিভাবে এটিতে আদর করা যায় সে ব্যাপারে একটু পরেই আসছি।

Updated: January 12, 2019 — 10:32 pm